আলমডাঙ্গা রেলওয়ে স্টেশন

আলমডাঙ্গা রেলওয়ে স্টেশন

Khulna Chuadanga

0 Reviews

Overview

এটি এশিয়া মহাদেশের মধ্যে সবচেয়ে উচ্চতম ও দ্বিতলভবন বিশিষ্ট একটি রেলওয়ে ষ্টেশন। আলমডাঙ্গা রেলওয়ে স্টেশন যা আজ শুধু স্টেশন বলে পরিচিত তা মূলতঃ নীলকর ইংরেজদের একটি কুঠি । এখান থেকে তারা এ অঞ্চলের নীলচাষের পরিকল্পনা ও পরিচালনা করতো । ভবনের উপর থাকতো ইংরেজ সাহেব। নীচ তলার কামড়া গুলো ছিল তাদের গুপ্ত ঘর বা জেলখানা । এই কামরা গুলো এমন ভাবে নির্মিত যে, তার ভেতর আলো, বাতাস এমনকি বাইরের শব্দ পর্যন্ত প্রবেশ করতে পারতো না । যারা নীল চাষ করতে অস্বীকার করত তাদেরকে ধরে এনে কুঠির নীচ তলায় আটকিয়ে রাখা হতো এবং প্রয়োজনবোধে তাদের উপর অকথ্য নির্যাতন চালানো হতো । আজকের ‘‘রেলওয়ে স্টেশন’’ নামে পরিচিত সেদিনের এই নীলকুঠিতে জানা-অজানা অনেক কলঙ্কময় ঘটনা ঘটেছে । এই রেল স্টেশন ভবনে সংঘঠিত নীলকর সাহেবদের অত্যাচার আর নির্যাতনের স্মৃতি জনপদকে স্মরণ করিয়ে দেয় আলমডাঙ্গার বেদনাময় অতীতকে। এ ষ্টেশনে প্রায় সব ধরনের ট্রেনই থেমে থাকে যার কারনে আলমডাঙ্গা বাসীর যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম হলো আলমডাঙ্গা রেলওয়ে ষ্টেশন।


আলমডাঙ্গা রেলওয়ে স্টেশন দিয়ে যেসব ট্রেন চলাচল করে নিম্নে তা উল্লেখ করা হলো: রূপসা এক্সপ্রেস, সীমান্ত এক্সপ্রে্‌ কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস, সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস্সু‌ন্দরবন এক্সপ্রেস ,চিত্রা এক্সপ্রেস, বেনাপোল এক্সপ্রেস , মহানন্দা এক্সপ্রেস , রকেট এক্সপ্রেস , নকশীকাঁথা এক্সপ্রেস ও লোকাল ট্রেন।

Instruction

কিভাবে যাবেন  ঃ  ঢাকা গাবতলী এবং সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল হতে হতে চুয়াডাঙ্গার দূরত্ব ২৫০ কিলোমিটার। ঢাকা থেকে বাস এবং ট্রেনে চুয়াডাঙ্গা জেলায় যাওয়ার সুযোগ রয়েছে।আট কবর যেতে হলে প্রথমে চুয়াডাঙ্গা শহরে আসতে হবে। চুয়াডাঙ্গা শহর হতে সরারসরি বাস বা লেগুনায় চড়ে আট কবর যাওয়া যায়।


কোথায় থাকবেন ঃ চুয়াডাঙ্গায় অবস্থিত  আবাসিক হোটেলে রাত্রি যাপন করতে পারবেন .উল্লেখযোগ্য আবাসিক হোটেলের মধ্যে রয়েছে – হোটেল অবকাশ (0761-62288), হোটেল আল মেরাজ (0761-62383), অন্তুরাজ আবাসিক হোটেল (0761-62702), হোটেল প্রিন্স (0761-62378)।